Click for money

Tuesday, October 10, 2017

সরকারি খরচে প্রশিক্ষণ পাবে পাঁচ লাখ তরুণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি -নির্মাণশিল্প -লাইট -ইঞ্জিনিয়ারিং -জাহাজ নির্মাণ শিল্প -চামড়া ও পাদুকাশিল্প -ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি: অ্যাগ্রো ফুড প্রসেসিং, নার্সিং টেকনোলজি ‘স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রগ্রাম’ (সেইপ) প্রকল্পের আওতায় ২০২০ সালের মধ্যে সারা দেশে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বিভিন্ন বিষয়ে। প্রশিক্ষণ শেষে মিলবে ভাতা ও চাকরি। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ফরহাদ হোসেন ।

৯টি সেক্টরে ১৩০-এর বেশি ট্রেডে সরকারি খরচে প্রশিক্ষণ পাবে ৫,০২,০০০ তরুণ। বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সহযোগী হিসেবে কাজ করছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ও সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন (এসডিসি)।
প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। জুলাই ২০১৪ থেকে শুরু হয়েছে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম। চলবে ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত। 

প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য
স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রগ্রামের (সেইপ) উপনির্বাহী প্রকল্প পরিচালক খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে বেকারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু সে হারে কর্মসংস্থান হচ্ছে না। আমরা স্বল্পশিক্ষিত ও শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের কর্মমুখী প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। যাতে তারা কর্মসংস্থানের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। এ প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ২০২০ সালের মধ্যে দেশের বেকারত্ব কমিয়ে দেশের যুব সম্প্রদায়ের বড় একটা অংশকে কর্মক্ষম করে গড়ে তোলা। ’
তিনি বলেন, ‘৯টি সেক্টরে ১৩০-এর বেশি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছি।
সেপ্টেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত ১,২৮,৩৮৮ জনকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নারী কর্মী রয়েছে ৫১,৩৭৭ জন। বিভিন্ন সেক্টরে চাকরির ব্যবস্থা করা হয়েছে ৮৫,৮১৩ জনের। ’

কারা পাবে
সেইপ প্রকল্পের মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন স্পেশালিস্ট সৈয়দ তারেক-উজ-জামান বলেন, ‘আমাদের এ প্রকল্পের মূল টার্গেট সমাজের অনগ্রসর যুব সম্প্রদায়। হতে পারে সে বেকার অথবা মিড-লেভেলের কর্মকর্তা বা সুপারভাইজর, যারা প্রশিক্ষণ পেলে আরো দক্ষ হতে পারবে। যাদের কাজ করার মানসিকতা, শারীরিক শক্তি ও সামর্থ্য রয়েছে অথচ বেকার—এমন তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে চাই আমরা। যেকোনো কাজে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে কাজের অভাব হয় না। প্রকল্পের নিয়ম অনুসারে প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি পেতে সহায়তা করা হচ্ছে। ভাতাসহ বিশেষ বৃত্তি পান দরিদ্র, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, নারী, প্রতিবন্ধীসহ সুবিধাবঞ্চিত প্রশিক্ষণার্থীরা। কমপক্ষে ৩০ শতাংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। ’

খাত ও বিষয়
৯টি সেক্টরে দেওয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণ। তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতে মার্চেন্ডাইজিং, মিড-লেভেল সুপারভাইজর, অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং, ওভেন মেশিন ও নিট মেশিন চালনা, মাননিয়ন্ত্রণ ও টেক্সটাইল টেস্টিং, ফায়ার সেফটি অ্যান্ড কম্প্লায়েন্স, উইভিং টেকনোলজি ও নিটিং টেকনোলজি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের বিষয়গুলো হলো গ্রাফিকস ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট ও সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট। নির্মাণশিল্পের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো—ম্যাসনারি, প্লাম্বিং ও পাইপ ফিটিং, রড বাইন্ডিং অ্যান্ড ফ্যাব্রিকেশন। লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের বিষয়গুলো হলো—রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং, মেশিন টুলস অপারেশন, লেদ মেশিন পরিচালনা, অটোমোবাইল মেকানিক, মোবাইল সার্ভিসিং, ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স। চামড়া ও পাদুকাশিল্পের বিষয়গুলো হলো—সেলাই পরিচালনা, কাটিং অপারেশন, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড লজিস্টিকস। জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বিষয়গুলো হলো—ওয়েল্ডিং ও সিএনসি মেশিন অপারেশন। অ্যাগ্রো ফুড প্রসেসিংয়ের বিষয়গুলো হলো—প্রডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারিং আপগ্রেডিং, উত্পাদন বৃদ্ধির কৌশল ও টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট। ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটির বিষয়গুলো হলো—ফুড অ্যান্ড বেভারেজ প্রডাকশন, ফুড অ্যান্ড বেভারেজ সার্ভিস ও হাউসকিপিং। নার্সিং টেকনোলজিরও কোর্স করানো হবে, বিষয় এখনো নির্ধারিত হয়নি। 

আবেদনের যোগ্যতা
বিষয়ভেদে কোর্সের মেয়াদ ও শিক্ষাগত যোগ্যতা ভিন্ন। কোর্সের মেয়াদ সর্বনিম্ন এক মাস এবং সর্বোচ্চ ছয় মাসের হয়ে থাকে। কোর্স ও বিষয়ভেদে বয়সসীমা ১৬ থেকে ৪০ বছর। মার্চেন্ডাইজিং, মিড-লেভেল সুপারভাইজার, অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিংয়ে ভর্তির যোগ্যতা স্নাতক। অষ্টম থেকে এসএসসি পাস হলেই ভর্তি হওয়া যাবে ওভেন মেশিন ও নিট মেশিন চালনা, মাননিয়ন্ত্রণ এবং টেক্সটাইল টেস্টিং, ফায়ার সেফটি অ্যান্ড কম্প্লায়েন্স, উইভিং টেকনোলজি ও নিটিং টেকনোলজি কোর্সে। গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে কোর্সভেদে ভর্তির যোগ্যতা এসএসসি থেকে স্নাতক। অষ্টম শ্রেণি পাস হলেই রাজমিস্ত্রি, প্লাম্বিং ও পাইপ ফিটিং, রড বাইন্ডিং অ্যান্ড ফ্যাব্রিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া যাবে। রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং, মেশিন টুলস অপারেশন, লেদ মেশিন পরিচালনা, অটোমোবাইল মেকানিক, মোবাইল সার্ভিসিং, ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স, সেলাই পরিচালনা, কাটিং অপারেশন, ওয়েল্ডিং, সিএনজি মেশিন অপারেশন প্রশিক্ষণ নেওয়া যাবে অষ্টম থেকে এইচএসসি পাস হলেই। এসএসসি প্রশিক্ষণ নেওয়া যাবে প্রডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারিং আপগ্রেডিং, ফুড অ্যান্ড বেভারেজ প্রডাকশন, ফুড অ্যান্ড বেভারেজ সার্ভিস ও হাউসকিপিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ। 

সিলেট জেলার জাফলং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপ লীলাভূমি

ক্বীন ব্রিজ, আলী আমজাদের ঘড়ি ও সুরমা নদীর পাড় :
শহরের মাঝে সুরমা নদীর উপর প্রাচীন লোহার ব্রীজ। নিচে নদীর পাড়ে সময় কাটানে যায়। নৌকা নিয়ে ঘোরা ও মন্দ না । ব্রীজের কাছেই আছে ১৪০ বছর পুরনো আলী আমজাদের ঘড়ি। গত শতকের তিরিশের দশকের দিকে আসাম প্রদেশের গভর্ণর ছিলেন মাইকেল ক্বীন। তিনি তখন সিলেট সফরে আসেন। তার স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতেই এ ব্রীজটি নির্মাণ হয়। ইতিহাসবিদদের মতে, সে সময় আসামের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল ট্রেন। সঙ্গত কারণেই সুরমা নদীতে ব্রীজ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। রেলওয়ে বিভাগ ১৯৩৩ সালে সুরমা নদীর ওপর ব্রীজ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় । ১৯৩৬ সালে ব্রীজটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়। ব্রীজটির নামকরণ করা হয় গভর্ণর মাইকেল ক্বীনের নামে। ক্বীন ব্রীজ লোহা দিয়ে তৈরী। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ডিনামাইট দিয়ে ব্রীজের উত্তর পাশের একাংশ উড়িয়ে দেয়। স্বাধীনতার পর কাঠ ও বেইলী পার্টস দিয়ে বিধ্বস্ত অংশটি মেরামত করা হয়। পরবর্তীতে তা হালকা যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। সিলেট শহরের কেন্দ্রস্থলে ক্বীনব্রীজ এর অবস্থান । 

হযরত শাহজালাল (রঃ) মাজার:
সিলেট রেল স্টেশন অথবা কদমতলী বাস স্ট্যান্ড এ নেমে রিকশা বা সিএনজি অটোরিকশাযোগে মাজারে যাওয়া যায়। রিকশা ভাড়া ২০-২৫ টাকা, সিএনজি ভাড়া ৮০-১০০ টাকা।সুরমা নদী পার হয়ে মূল শহরে এসে মাজার এ পৌছাতে হয়। মাজার গেট রোড এ অনেকগুলো আবাসিক হোটেল রয়েছে। 

হজরত শাহপারান (রঃ) মাজার সিলেট সিটির থেকে মাত্র ০৯ কি:মি: দূরে হযরত শাহপরান (র:) মাজার। সিলেট সিটির জেলগেট পয়েন্ট থেকে সি এন জি বা অন্যান্য বাহন দ্বারা শাহপরান বাজারে পাশে হযরত শাহপরান (র:) এর মাজার । 

মালনীছড়া চা বাগান ও অন্যান্য: 
উপমহাদেশের প্রথম চা বাগান মালনীছড়া। ১৮৪৯ সালে এই চা বাগান প্রতিষ্ঠিত। বর্তমানে বেসরকারী তত্তবধানে চা বাগান পরিচালিত হয়ে আসছে। ১৫০০ একর জায়গার উপর এই চা বাগান অবস্থিত। মালনীছড়া চা বাগান ছাড়াও সিলেটে লাক্কাতুরা চা বাগান, আলী বাহার চা বাগান, খাদিম, আহমদ টি স্টেট, লালাখাল টি স্টেট উল্লেখযোগ্য। মালনীছড়া এবং লাক্ষাতুড়া চা বাগান দুইটিই সিলেট শহরের উপকন্ঠে অবস্থিত। শহরের কেন্দ্রস্থল জিন্দাবাজার পয়েন্ট হতে গাড়ীতে মাত্র ১৫ মিনিটের পথ।সিলেট শহর থেকে রিকশাযোগে অথবা অটোরিকশা বা গাড়িতে বিমানবন্দর রোডে চাবাগানপাওয়া যাবে। গাড়িতে যেতে আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে ১০ মিনিট এর পথ।রিকশাযোগে যেতে আধঘন্টা লাগবে। পর্যটন টিলা , মোটেল ও এডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ডবিমানবন্দর রোডে মালনীছড়া এবং লাক্ষাতুড়া চা বাগান পেরিয়ে পড়বে পর্যটন টিলা ও মোটেল। পর্যবেক্ষন টাওয়ার, এমিউজম্যান্টে পার্ক, আইস ক্রীম, এবং স্ন্যাকস এবর ব্যবস্থা রয়েছে। সিলেট আম্বর খানা থেকে অটোরিক্সা/রিকশা করে যাতায়াত। 

মনিপুরী জাদুঘরশহরের সুবিদবাজার এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এ জাদুঘর। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে বসবাসরত আদিবাসী সম্প্রদায় মনিপুরীদের শত বছরের কৃষ্টি আর ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়েছে এ জাদুঘরের মাধ্যমে। 

মিউজিয়াম অব রাজাস:
মরমী কবি হাছন রাজা ও পরিবারের অন্য সদস্যদেও স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সিলেট নগরীর প্রানকেন্দ্র জিন্দাবাজারে গড়ে তোলা হয়েছে একটি যাদুঘর। এর নাম দেওয়া হয়েছে মিউজিয়াম অব রাজাস’। 

মনিপুরী রাজবাড়ীমনিপুরী সিলেট তথা বাংলাদেশের আদি সম্প্রদায়ের অন্যতম জনগোষ্ঠি। নগর সিলেটের মির্জাজাঙ্গালে অবস্থিত মনিপুরী রাজবাড়ী প্রাচীন স্থাপত্য কীর্তির অন্যতম নির্দশন। এ ভবনের নির্মাণ শৈলী সিলেট অঞ্চলের কৃষ্টি-সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এককালের প্রভাবশালী রাজা গম্ভীর সিং এর স্মৃতিধন্য এ বাড়িটি আজ অবহেলিত ও বিলীন প্রায়। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে প্রকৃত ভবন হারিয়েছে তার স্বকীয়তা। বাড়ীর সুপ্রাচীন প্রধান ফটক, সীমানা দেয়াল, মনোহর কারুকাজের সিড়ি ও বালাখাঁনার ধ্বংসাবশেষই বর্তমান মনীপুরী রাজবাড়ীর স্মৃতি সম্বল। এখনও ধ্বংস স্ত্তপের মতো টিকে থাকা স্থাপনাটি এ বাড়ীসহ সিলেটে বসবাসরত মনিপুরী সম্প্রদায়ের গভীর শ্রদ্ধা-ভক্তির স্থান। 

শহরের আরো কিছু যায়গা
-সিলেট শহরের মাঝে ঘুরতে গেলে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পরেই টিলাগড় ইকো পার্ক, ইকো পার্ক এর ‍সাথেই লাক্কাতুরা চা বাগান, তাছাড়া টিলাগড় ইকো পার্ককে বর্তমানে চিড়িয়াখানায় রুপান্তরের কাজ চলছে , গৌড়-গোবিন্দের টিলা, এমসি কলেজ, মুণিপুরী মার্কেট, খাদিমনগরে ৩টি টিলার সমন্বয়ে গড়ে উঠা পর্যটন স্থান ও রিসোর্ট জাকারিয়া সিটি ঘুরে দেখা যায়। 

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সময় কাটবে ভালো। ক্যাম্পাসে আসলে দেখতে পারবেন শাবির চমৎকার শহীদ মিনার যা টিলার উপর অবস্থিত। 

জিতু মিয়ার বাড়িসিলেট নগরীর শেখঘাটে কাজীর বাজারের দক্ষিণ সড়কের ধারে ১ দশমিক ৩৬৫ একর ভুমি জুড়ে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী জিতু মিয়ার বাড়ি। চুন সুরকি দিয়ে নির্মিত মুসলিম স্থাপত্য কলার অনন্য নিদর্শন এ দালানটি নির্মাণ খান বাহাদুর আবু নছর মোহাম্মদ এহিয়া ওরফে জিতু মিয়া। 

Monday, October 9, 2017

একটি গুুরুত্বপূর্ণ পোস্ট

ব্লু-হোয়েল বা নীল তিমি বা সিনি কমপ্লিকিয়েট একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জিং গেইম (যদিও গেইম নয়!) যা ৫০ টি টাস্কের মাধ্যমে তরুন-তরুণীদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে নিয়ে যায়। এই ৫০ টি টাস্কের শেষটি হচ্ছে আত্মহত্যা।## গেইমটি কীভাবে কাজ করে? ব্লু হোয়েল গেইমের এডমিনদের বলা হয় কিউরেটর আর সাব এডমিনদের/রি এডিটরদের বলা হয় সাব কিউরেটর। আর যারা গেইম খেলেন অর্থাৎ যারা ভিক্টিম তারা এখানে একেকজন একেকটি হোয়েল অর্থাৎ তিমি। গেইমের শুরু হয় যেকোনো সোশ্যাল নেটওয়ার্কে চ্যাটিং এর মাধ্যমে এবং আপনাকে প্রতিদিন একটি করে টাস্ক দেয়া হবে (মোট ৫০ টি টাস্ক)। টাস্ক শেষ করার পরে আপনাকে তার প্রমাণ দেয়া লাগবে। টাস্ক গুলো হচ্ছেঃ একঃ "F58" লিখুন ব্লেড দ্বারা, আপনার হাত কাটুন তারপর তার ছবি কিউরেটর কে পাঠান। দুইঃ সকাল ৪.২০ এ ঘুম থেকে উঠুন সাইকেডেলিক এবং ভয়ংকর ভিডিও দেখুন এবং তা কিউরেটরকে পাঠান। তিনঃ রেজর ব্লেড দ্বারা আপনার হাতের রগ কাটুন কিন্তু পাঁচটি দাগের বেশী না। তার ছবি কিউরেটরকে পাঠান। চারঃ একটি তিমি মাছের ছবি আকুন আপনার হাতে। তারপর তার ছবি কিউরেটরকে পাঠান। পাঁচঃ আপনি যদি তিমি হতে চান এখনই তাহলে আপনার পায়ে "yes" লিখুন আর তিমি হতে না চাইলে আপনার পায়ে গভীর ক্ষত তৈরী করুন আর আপনাকে শাস্তি দিন। তার ছবি কিউরেটরকে পাঠান। ছয়ঃ গরম স্নান নিন। যেনো পানির তাপমাত্রা ২৮০ ডিগ্রি থেকে ৩৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে। সাতঃ "F40" লিখুন ব্লেড দ্বারা আপনার হাতে আর তার ছবি পাঠান কিউরেটরকে। আটঃ আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে স্ট্যাটাস দিন "I_am_whale" নয়ঃ আপনাকে আপনার ভয়কে জয় করতে হবে। তাই যা করলে আপনার ভয় লাগে তাই করুন। দশঃ সকাল ৪ টা ২০ এ আপনার বাসার ছাদে যান, যতটুকু উচুতে উঠা সম্ভব উঠুন। এগারঃ অন্য হাতে তিমির ছবি আকুন আর তার ছবি কিউরেটরকে পাঠান। বারঃ সারাদিন সাইকেডেলিক ভিডিও দেখুন। তেরঃ কিউরেটরা আপনাকে যেসব গান পাঠাবে তা শুনুন। চৌদ্দঃ আপনার ঠোট কাটুন, আপসাইড ডাউন করে। পনেরঃ একটি সুই দ্বারা আপনার হাতে ৭০-৮০ বার ছিদ্র করুন। তার ছবি কিউরেটরকে পাঠান। ষোলঃ আপনার শরীর কে অসুস্থ করুন। সতেরঃ আপনার এলাকার সব থেকে উচু বিল্ডিং এর ছাদে যান সেখানে কিছু সময় কাটান। আঠেরঃ যেকোনো বিজের প্রান্তে যান আর সেখানে কিছু সময় কাটান। উনিশঃ যেকোনো ক্রেনের উপরে উঠার চেষ্ঠা করুন। বিশঃ আপনার মতো অন্য আরেকজন তিমির সাথে কথা বলুন। একুশঃ কিউরেটর এখন চেক করবে যে আপনি বিশ্বাস যোগ্য কি না! বাইশঃ যেকোনো ছাদের প্রান্তে গিয়ে পা বাইরে দিয়ে বসুন। তেইশঃ আবার গরম জলে স্নান করুন, তাপমাত্রা ৩৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে হবে। চব্বিশঃ প্রতি ঘন্টায় ৪-৫ টি করে ঘুমের ওষুধ খেতে থাকুন। পচিশঃ যেকোনো একজন তিমির সাথে দেখা করুন। ছাব্বিশঃ কিউরেটর আপনাকে আপনার মৃত্যুর তারিখ দেবে শীঘ্রই তার অপেক্ষায় থাকুন। সাতাশঃ সকাল ৪ টা ২০ এ যেকোনো রেলপথে হাটাহাটি করুন। আটাশঃ কারো সাথে সারাদিন কোনো কথা বলবেন না। উনত্রিশঃ সারাদিন জপতে থাকুন যে আপনি একজন তিমি এবং কারো সাথে কথা বলবেন না। ত্রিশ থেকে উনপঞ্চাশঃ প্রতিদিন সকাল ৪ টা ২০ এ উঠুন, ভূতের মুভি দেখুন, কিউরেটরদের পাঠানো গান শুনুন এবং প্রতিদিন তিনটি করে দাগ কাটুন আপনার শরীরে এবং তার ছবি কিউরেটরদের পাঠাতে থাকুন। পঞ্চাশঃ যেকোনো উপায়েই হোক মারা যান

Sunday, October 8, 2017

জিপিএ–৫ না পেয়েও কেমব্রিজে

২০১৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের ছাত্র সাজিদ আখতার পেয়েছিলেন জিপিএ-৪.৫০। আর এ বছর সিলেটের এমসি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে আসিফ-ই-এলাহীর অর্জন ৪.৬৭। ছেলে জিপিএ-৫ পায়নি বলে মা-বাবা আশাহত হয়েছিলেন, মন খারাপ হয়েছিল সাজিদ আর আসিফেরও। অথচ কী আশ্চর্য! গত ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যগামী একটি বিমানে চড়ে বসলেন দুজন। কমনওয়েলথ বৃত্তি নিয়ে তাঁরা ‘পিওর ম্যাথমেটিকসে’ স্নাতক পড়তে গেছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে। কেমন করে যুক্তরাজ্যের এই স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ হলো?
কলেজে পড়ার সময় উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো জিপিএ অর্জন করাই থাকে শিক্ষার্থীদের প্রধান লক্ষ্য। অথচ সাজিদ-আসিফ নাকি বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতির চেয়ে কেমব্রিজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতেই বেশি ব্যস্ত ছিলেন! কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে গণিত নিয়ে পড়ার জন্য এসটিইপি বা সিক্সথ টার্ম এক্সামিনেশন পেপার্স ইন ম্যাথমেটিকস নামের একটি পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। সঙ্গে প্রয়োজন হয় আইইএলটিএসের ভালো স্কোর। আবেদনের আরও বেশ কয়েকটি ধাপ আছে। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নয়, এসবই ছিল আসিফ ও সাজিদের ভাবনায়। তাঁদের মনে এই আত্মবিশ্বাস গড়ে দিয়েছে গণিত অলিম্পিয়াড। স্কুলে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক-প্রথম আলো গণিত অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়েছেন দুজন। আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে আসিফ-ই-এলাহী দুবার রৌপ্য, একবার ব্রোঞ্জ ও একবার ‘অনারেবল মেনশন’ পেয়েছেন। সাজিদ আখতার অংশ নিয়েছেন তিনবার। তাঁর ফলাফল দুটি ব্রোঞ্জ ও একটি অনারেবল মেনশন। গণিত যাঁদের শক্তি, রুখবে তাঁদের কে!
এর আগে গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ থেকে যেই শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন, তাঁরাই পথ দেখিয়েছেন আসিফ-সাজিদদের। আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়ে সামিন রিয়াসাত কেমব্রিজ থেকে গণিতে স্নাতক হয়েছেন, নাজিয়া চৌধুরী এমআইটি থেকে পড়াশোনা শেষ করে সিঙ্গাপুরে মেডিসিনে উচ্চতর ডিগ্রি নিচ্ছেন। তারিক আদনান হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করেছেন। তামান্না ইসলাম, সৌরভ দাশ, বৃষ্টি শিকদার, শিঞ্জিনি সাহা, নূর মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, সানজিদ আনোয়ার সুযোগ পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি)। হক মোহাম্মদ ইশফাক স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়ছেন। আদিব হাসান এমআইটিতে পড়ার আগে ছয় মাস সময় নিয়ে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।
সাজিদ আর আসিফও বেশ কয়েক মাস আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন। গত বছর উচ্চমাধ্যমিক পাস করে সাজিদ ভর্তি হয়েছিলেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে, তবে কেমব্রিজে যাওয়ার চেষ্টাও চলছিল। সাজিদের মা রাকিবা আফরোজ বলেন, ‘এইচএসসিতে এ প্লাস পায়নি বলে আমার ছেলের একটু মন খারাপ হয়েছিল। তবে সে ভেঙে পড়েনি। একদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা চালিয়ে গেছে, অন্যদিকে বাইরে পড়তে যাওয়ার প্রস্তুতিও নিয়েছে।’ বাবা সোহেল আখতারের বক্তব্য, ‘এ প্লাস নিয়ে এখন আর দুঃখ নেই। শেষটা ভালো হলো, এতেই আমি খুশি।’ আর সাজিদ? তাঁর কাছে জানতে চাই, কীভাবে পেলেন এই আত্মবিশ্বাস? আকাশে ওড়ার আগে মুঠোফোনে সাজিদ বলেন, ‘গণিত অলিম্পিয়াডে অংশ নেওয়ার কারণে একটা সমস্যার পেছনে লেগে থাকা শিখেছি। হাল ছাড়িনি। নিজের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের বিষয়ে ভর্তির জন্য লেগে ছিলাম, শেষ পর্যন্ত সেখানেই যাচ্ছি।’
আসিফ-ই-এলাহী উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার মধ্যেই মালয়েশিয়ায় কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর বাবা আজিজুর রহমান বললেন, ‘উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য আসিফ খুব একটা পড়েনি। ওর মায়েরও কেমব্রিজের প্রতিই বেশি আগ্রহ ছিল।’ আর মা হোসনে আরা বেগম বলেন, ‘এ প্লাস না পাওয়ায় মন একটু তো খারাপ হয়েছিলই। ছেলে যখন এইচএসসির ফলাফল ভুলে বিদেশে যাওয়ার জন্য পরিশ্রম শুরু করল, তখন আমিও ভরসা পেয়েছি।’ কেমব্রিজে পৌঁছে আসিফ ই-মেইলে জানিয়েছেন, ‘গণিত অলিম্পিয়াডের সুযোগে অনেক বড় ভাই-আপুদের দেখেছি, যাঁরা উচ্চশিক্ষার জন্য হার্ভার্ড, এমআইটি আর স্ট্যানফোর্ডে পড়ছেন। তাঁদের দেখেই কেমব্রিজে পড়ার স্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েছি।’ কিন্তু যদি কেমব্রিজে সুযোগ না হতো, তখন? এমন প্রশ্নে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আসিফের উত্তর, ‘তাহলে আমেরিকার কোনো না কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে যেতাম।’
শেষ পর্যন্ত তাঁকে বিকল্প খুঁজতে হয়নি। আসিফ-ই-এলাহী ও সাজিদ আখতার তাঁদের স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বপ্নের বিষয় নিয়েই পড়ছেন। তাঁরা যে শুধু নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করেছেন, তা নয়। দেশে জিপিএ-৫ না পাওয়া শিক্ষার্থীদের যাঁরা ‘খারাপ ছাত্র’ হিসেবে চিহ্নিত করেন, তাঁদের জন্য একটা বার্তাও দিলেন এই দুই তরুণ।

সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রোববার আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়, লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে তৈরি হচ্ছে গভীর সঞ্চালণশীল মেঘমালা।
এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায়, রাজশাহী, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

Saturday, October 7, 2017

মেশিন রিডেবল স্মার্ট এনআইডি কার্ডে সব তথ্য থাকবে

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, মেশিন রিডেবল স্মার্ট এনআইডি কার্ডে (জাতীয় পরিচয়পত্র) নাগরিকদের সব তথ্য থাকবে। এতে নাগরিকদের ৪৬ ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য থাকবে। এই জাতীয় পরিচয়পত্র জাতীয় সম্পদ।

আজ শনিবার রংপুরে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার এ কথা বলেন।
রংপুর জিলা পরিষদ কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশনের (বিইসি) আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।
রংপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জি এম শাহাতাব উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র সারফুদ্দিন আহমেদ, ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ, বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদ, রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি বশির আহমেদ, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান, পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান ও জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ।
নির্বাচন কমিশনের এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইংয়ের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে প্রেজেন্টেশন করেন। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার রংপুরের মেয়র সরফুদ্দিন আহমেদসহ ১৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে স্মার্ট এনআইডি কার্ড হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ শুরু করেন।

দরিদ্রতা আসে সাত জিনিসের কারণেঃ

♣দরিদ্রতা আসে সাত জিনিসের কারণেঃ
১। তাড়াহুরা করে নামায পড়ার কারণে!
২। দাঁড়িয়ে পেশাব করার কারণে!
৩। পেশাবের জায়গায় অজু করার কারণে!
৪। দাঁড়িয়ে পানি পান করার কারণে!
৫। ফুঁ দিয়ে বাতি নিভানোর কারণে!
৬। দাঁত দিয়ে নখ কাটার কারণে!
৭। পরিধেয় বস্ত্র দ্বারা মুখ সাফ করার কারণে!

সরকারি খরচে প্রশিক্ষণ পাবে পাঁচ লাখ তরুণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি -নির্মাণশিল্প -লাইট -ইঞ্জিনিয়ারিং -জাহাজ নির্মাণ শিল্প -চামড়া ও পাদুকাশিল্প -ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি: অ্যাগ্...

Popular posts