Click for money

Friday, November 25, 2016

সময় সূচী



● জাতীয় জাদুঘর ● আহসান মঞ্জিল ● বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর ● মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ● শিশু একাডেমী জাদুঘর ● জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ● সামরিক জাদুঘর ● লালবাগ কেল্লা ● জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান ● শহীদ জিয়া শিশু পার্ক ● ঢাকা চিড়িয়াখানা ● বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার ● বাহাদুর শাহ পার্ক ● বলধা গার্ডেন ● নন্দন পার্ক ● ফ্যান্টাসী কিংডম ● স্টার সিনেপ্লেক

জাতীয় জাদুঘর – শাহবাগ





অক্টোবর থেকে মার্চ

সাপ্তাহিক বন্ধ বৃহস্পতিবার

শুক্রবার- বিকাল ৩.০০ টা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত

শনিবার – বুধবার

সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টা পর্যন্ত



এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর

সাপ্তাহিক বন্ধ বৃহস্পতিবার

শনিবার – বুধবার

সকাল ১০.৩০ থেকে বিকাল ৫.৩০ টা পর্যন্ত

শুক্রবার- বিকাল ৩.০০ টা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত

প্রবেশ মূল্য: ৩ – ১২ বছর পর্যন্ত ৫ টাকা, ১২ বছর এর উপরে ১০ টাকা, বিদেশী দর্শনার্থী ৭৫ টাকা।

জাতীয় দিবসগুলো যেমন – পহেলা বৈশাখ, ২৬শে মার্চ ও ২১শে ফ্রেব্রুয়ারিতে শিশু ও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে।

ফোন: ৮৬১৯৩৯৬-৯৯

সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে




আহসান মঞ্জিল





অক্টোবর থেকে মার্চ

সাপ্তাহিক বন্ধ বৃহস্পতিবার

শুক্রবার - বিকাল ৩.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭.০০ টা পর্যন্ত

শনিবার – বুধবার

সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকেল ৪.৩০ টা পর্যন্ত



এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর

সাপ্তাহিক বন্ধ- বৃহস্পতিবার

শুক্রবার- বিকাল ৩.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭.০০ টা পর্যন্ত

শনিবার – বুধবার

সকাল ১০.০০ থেকে বিকাল ৫.০০ টা পর্যন্ত

প্রবেশ মূল্য: প্রাপ্ত বয়স্ক বাংলাদেশী দর্শক = ৫ টাকা জনপ্রতি, অপ্রাপ্ত বয়স্ক বাংলাদেশী শিশু দর্শক (১২ বছরের নিচে) = ২ টাকা জনপ্রতি, সার্কভুক্ত দেশীয় দর্শক = ৫ টাকা জনপ্রতি, অন্যান্য বিদেশী দর্শক = ৭৫ টাকা জনপ্রতি, এছাড়া প্রতিবন্ধী দর্শকদের জন্য কোন টিকিটের প্রয়োজন হয় না ও পূর্ব থেকে আবেদনের ভিত্তিতে ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে জাদুঘর দেখতে দেয়া হয়।

ফোন: ৭৩৯১১২২, ৭৩৯৩৮৬৬

সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে




বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর – ধানমন্ডি



সাপ্তাহিক বন্ধ বুধবার

বৃহস্পতিবার – মঙ্গলবার

সকাল ১০.৩০ থেকে বিকাল ৫.৩০ টা পর্যন্ত

প্রবেশ মূল্য: জন প্রতি ৫ টাকা। (১২ বছরের উপরে)

ফোন: ৮১১০০৪৬

সরকারি ছুটির দিন খোলা থাকে




মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর – সেগুনবাগিচা



অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি

সাপ্তাহিক বন্ধ রবিবার

সোমবার – শনিবার

সকাল ১০.০০ টা থেকে বিকাল ৫.০০ টা পর্যন্ত

মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর

সাপ্তাহিক বন্ধ রবিবার

সোমবার - শনিবার

সকাল ১০.০০ থেকে বিকাল ৬.০০ টা পর্যন্ত

প্রবেশ মূল্য: টিকেট মূল্য ৫ (পাঁচ) টাকা। তবে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা বিনামূল্যে জাদুঘরে প্রবেশ করতে পারবে।

ফোন: ৯৫৫৯০৯১-২




শিশু একাডেমী জাদুঘর



সাপ্তাহিক বন্ধ শুক্রবার ও শনিবার

রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার

সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টা পর্যন্ত

প্রবেশ মূল্য:

ফোন: ৯৫৫৮৮৭৪

সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে




জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর – আগারগাঁও


সাপ্তাহিক বন্ধ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার

শনিবার থেকে বুধবার

সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টা পর্যন্ত

প্রবেশ মূল্য

জনপ্রতি ৫ টাকা। এছাড়া শনি ও রোববার সন্ধ্যা ৬.০০ টা থেকে ১০ টাকার টিকিটের বিনিময়ে টেলিস্কোপে আকাশ পর্যবেক্ষণ করা যায়।

ফোন: ৯১১২০৮৪

সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে




সামরিক জাদুঘর – বিজয় সরণি



সাপ্তাহিক বন্ধ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার

শনিবার থেকে বুধবার

সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকেল ৪.৩০ টা পর্যন্ত

প্রবেশ মূল্য:

ফোন: সেনানিবাস এক্সচেঞ্জ ৯৮৭০০১১, ৮৭৫০০১১ (জাদুঘর এক্সটেনশন – ৭৫৪২)

সরকারি ছুটি ও সেনাবাহিনীর ঐচ্ছিক ছুটির সময় বন্ধ থাকে




লালবাগ কেল্লা – লালবাগ



অক্টোবর থেকে মার্চ

সাপ্তাহিক বন্ধ রোববার

সোমবার দুপুর ১.৩০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টা পর্যন্ত

মঙ্গলবার - শনিবার

সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টা পর্যন্ত



এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর

সাপ্তাহিক বন্ধ রোববার

সোমবার দুপুর ১.৩০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টা পর্যন্ত

মঙ্গলবার - শনিবার

সকাল ১০.০০ থেকে বিকাল ৬.০০ টা পর্যন্ত

শুক্রবার জুমার নামাজের

Tuesday, November 22, 2016

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হোগলবাড়িয়া পূর্বপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৫ বছর বয়সী সেই বাছিরন নেছা প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা দিচ্ছেন



মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হোগলবাড়িয়া পূর্বপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৫ বছর বয়সী সেই বাছিরন নেছা প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা দিচ্ছেন। মহাম্মদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রের ৯নং কক্ষের প্রথম বেঞ্চেই তার সিট হয়েছে। বাছিরন নেছার রোল নং ৫৯৪১। পরীক্ষার প্রথম দিন ইংরেজি পরীক্ষা ভালোভাবে দিয়েছেন বলে জানালেন বাছিরন নেছা। বাকী পরীক্ষাগুলো সফলভাবে দেবেন বলেও জানালেন তিনি।

জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে বাছিরন নেছা জানালেন, এটা আমার স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপ। আমি ভালো রেজাল্ট করে দেশকে দেখাতে চাই, লেখা পড়ার কোন বয়স নেই। আমি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পাশ করে কলেজও পড়াশোনা করতে চাই। আমি আমার স্বপ্ন পূরণে সকালের সহযোগিতা কামনা করছি।

পরীক্ষা কেন্দ্রে তাকে সাহস যোগাতে সঙ্গে এসেছেন ভাইয়ের বউ (ভাবী) ইন্দোনেশিয়ার মারনি, নাতি নাহিদ হাসান ও পড়শিরা। মহাম্মদপুর সরকারী বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ২৩৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। তার মধ্যে বাছিরন নেছা একমাত্র বয়স্ক ছাত্রী বলে জানালেন কেন্দ্র সচীব জিয়া মহাম্মদ আহসান মাছুম।

এদিকে বাছিরন নেছার পরীক্ষার খোঁজ খবর নিতে স্থানীয় মটমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল আহমেদ, হোগলবাড়িয়া পূর্বপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির (এসএমসি) সভাপতি ও গাংনী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আহসান উল্লাহ মহন পরীক্ষা কেন্দ্রে যান।

এদিকে বাছিরনের পরীক্ষা কেন্দ্রে মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরাও ছিলেন সংবাদ কাভারেজের জন্য।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে চিঠি লিখেছিল সিরিয়ার মাত্র ৬ বছর বয়সী একটি বালক অ্যালেক্স


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে চিঠি লিখেছিল সিরিয়ার মাত্র ৬ বছর বয়সী একটি বালক অ্যালেক্স।
তখন সে ছিল নিউ ইয়র্কে। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের এক পর্যায়ে আলেপ্পোতে বোমা হামলা করা হয়। তাতে রক্তাক্ত ওমরান দাকনিশ নামের একটি শিশুকে ধুলোবালির স্তূপ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করতে দেখা যায়। এ ছবি দেখে ভীষণভাবে মনে নাড়া লেগেছিল অ্যালেক্সের। ফলে সে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে একটি চিঠি লেখে। তাতে সে জানতে চায়, ওমরান কি কোনোদিনও তার বাড়িতে ফিরতে পারবে। সেই চিঠি বারাক ওবামাকেও ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছিল। তাই তিনি অ্যালেক্সকে আমন্ত্রণ জানান হোয়াইট হাউজে। তবে কবে অ্যালেক্স হোয়াইট হাউজে এসেছিল তা পরিস্কার করে জানা যায় নি। কিন্তু হোয়াইট হাউজ থেকে পোস্ট করা এক টুইটে দেখা গেছে, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে হোয়াইট হাউজে প্রেসিডেন্ট ওবামার সঙ্গে সাক্ষাত করছে অ্যালেক্স। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। এতে বলা হয়েছে, ওমরান দাকনিশকে ওই অবস্থায় উদ্ধার করার ছবি সারা বিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি করে দিয়েছিল। এ নিয়ে অ্যালেক্সের লেখা চিঠিতে ওবামা এতটাই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছিলেন যে, তিনি জাতিসংঘে শরণার্থী বিষয়ক এক সম্মেলনে অ্যালেক্সের ওই চিঠিটি উত্থাপন করেন।

Monday, November 21, 2016

মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনমানের উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন, তার সবই করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।







মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনমানের উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন, তার সবই করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সোমবার খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ বাংলাদেশকে যে গড়ে তুলতে পারছি, বাঙালি জাতি হিসেবে বিশ্বে যে সন্মান আমরা পাচ্ছি; এখানে আপনাদের বিরাট অবদান রয়েছে। আপনাদের মহান আত্মত্যাগের মাধ্যমে আজ দেশ স্বাধীন হয়েছে।

“কাজেই আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের কল্যাণার্থে যা যা করনীয় আমি তা করে যাব।”

ঢাকা সেনানিবাসের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে এই অনুষ্ঠানে খেতাবপ্রাপ্ত ৭০ জন মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

এরমধ্যে সশস্ত্র বাহিনীর ২০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে পরিচয়পত্র দেয়া হয়; যা ব্যবহার করে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সুবিধা ভোগ করতে পারবেন তারা।

শেখ হাসিনা বলেন, “আমি জানি আপনজন হারানোর বেদনা কত কষ্টের। সেই বেদনা বুকে নিয়েও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা আপনজন হারিয়েছেন বা পঙ্গু হয়ে আছেন বা যারা অবদান রেখেছেন, তাদেরকে সবসময় সন্মানিত হিসেবে গণ্য করি এবং তাদের কল্যাণে কাজ করে যাওয়া কর্তব্য হিসেবে মনে করি।”

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা সম্মিলিতভাবে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণের সূচনা করে। প্রতি বছর দিনটি ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ হিসেবে পালন করে বাংলাদেশ।

শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অভূতপূর্ব অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। এ জন্য মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের ব্যাপারে আমাদের সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।”

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর থেকেই বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্যও সব রকম চেষ্টা চলছে।

বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির কথাও অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।



Sunday, November 20, 2016

বাজাজের নতুন কমিউটার মটরসাইকেল ‘বাজাজ ভি’ বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এলো দেশের অটোমোবাইল আমদানি, সংযোজন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান উত্তরা মোটর্স।


বাজাজের নতুন কমিউটার মটরসাইকেল ‘বাজাজ ভি’ বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এলো দেশের অটোমোবাইল আমদানি, সংযোজন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান উত্তরা মোটর্স।

রোববার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে এ মটরসাইকেলের বাজারজাতের ঘোষণা দেওয়া হয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।

উত্তরা মোটর্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডুরান্ড মেহদাদুর রহমান এবং পরিচালক ও ডিলাররাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উত্তরা মোটর্স এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, রোববার থেকে সারাদেশে উত্তরা মোটর্সের শো-রুমে ‘বাজাজ ভি’ পাওয়া যাবে। মটরসাইকেলটির দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০০ টাকা।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রথম বিমানবাহী রণতরী ‘আইএনএস ভিক্রান্ত’ ভেঙে পাওয়া লোহা ও অন্যান্য ধাতু ‘বাজাজ ভি’ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে।

Prime Minister Sheikh Hasina today greeting members of the armed forces on the occasion of the Armed Forces Day-2016 to be observed tomorrow.



Prime Minister Sheikh Hasina today greeting members of the armed forces on the occasion of the Armed Forces Day-2016 to be observed tomorrow.


In a message on the eve of the day, she said, the Awami League government is making all-out efforts for modernization of the armed forces, reports BSS.


Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman had started the work to build modern armed forces in the independent Bangladesh, she added.


She said the armed forces developed by Bangabandhu are showing the signs of professionalism and efficiency in their all activities.


The Prime Minister said that the entire Bangalee nation joined the War of Liberation in 1971 at the call of Bangabandhu, the greatest Bangalee of all time.


"During the War of Liberation led by Awami League government on this day (November 21) in 1971, patriotic people, Muktibahini, the armed forces and different paramilitary forces launched combined attacks against the occupation forces," she said, adding that the final victory was achieved by defeating the occupation forces on December 16 in 1971.


Sheikh Hasina said the Armed Forces Day is observed every year on November 21 as a commemoration of advancement and victory of Bangalee nation in the War of Liberation.


Members of the armed forces are brightening the country's image at the international level by performing their duties with sincerity in the UN Peacekeeping Missions, she mentioned.


Besides attaining professional skill, the members of the armed forces are always taking part in facing disasters, constructing infrastructures, serving mankind, assisting civil administration and various nation building and pro-people activities, the Premier said.


On the occasion of the historic "Armed Forces Day", Sheikh Hasina conveyed her best wishes and gratitude to all the members of the armed forces and expressed her respects to the great heroes who sacrificed their lives for the country and prayed for eternal peace for their departed souls.


She hoped that members of the armed forces will be discharging their respective duties sincerely with patriotism, professionalism and higher moral ideology.


The Prime Minister wished success of all the programmes taken on the occasion of the Armed Forces Day-2016.

113 persons were killed and around 100 injured before dawn on Sunday when 14 coaches of the Indore-Patna Express derailed near Kanpur.


 
In one of the worst rail disasters in the country, 113 persons were killed and around 100 injured before dawn on Sunday when 14 coaches of the Indore-Patna Express derailed near Kanpur.

The tragedy occurred when the Patna-bound train's coaches ran off the rails shortly after 3am near Pukhrayan station, about 60km from Kanpur city in Uttar Pradesh, railway and police officials said.

It was not clear what caused the derailment.

Inspector General of Police Prabhakar Chowdhary told IANS that 113 had died and 49 still warded in different hospitals had been shifted to Kanpur. All others have been given first aid and discharged.

The deaths could rise as some passengers were in critical condition.

Panic set in when the coaches derailed in darkness, throwing scores of sleeping passengers over one another. Many took a while to realise that a tragedy had hit the train.

Passengers who survived related that there was screaming and shouting as many of the injured were in agony.

The worst-hit were the sleeper coaches S1, S2, S3 and S4.

A passenger who survived told journalists that the train stopped a couple of moments after 3am for unexplained reasons.

"It then suddenly picked up speed," the man said. "And then I got an eerie feeling that the train was rolling down a valley," he said.

"By the time I leant what had happened, some 20-25 people in my coach had been killed. A six-year-old girl was literally cut into two pieces," said the terrified man.

Swayambi Mishra, in her early 20s, said she was in S1 and she did not know what had happened to her father.

A passenger in his 60s added: "God saved me. But most of the people who were with me in the coach seem to have disappeared. I can't find them."

It was the worst train accident in the country after the May 2010 disaster in West Bengal involving Gyaneshwari Express that killed some 170 people.

Relief officials described gory scenes, with many passengers crushed by tonnes of steel as some coaches rolled over. Gas cutters were used to rip through the coaches to take out the bodies and the wounded.

Hundreds of bags and suitcases belonging to the passengers were strewn all along the rail track.

National Disaster Response Force (NDRF) spokesperson Krishna Kumar told IANS: "Most bodies are beyond recognition as they are badly crushed."

Ruby Gupta, who was going from Indore to Mhow to attend a wedding, could not find her father after the accident. "Some people are telling me to look for him in the hospital. I need my father back."

Another dazed survivor said: "I was awake when the train derailed. There was a loud noise and then pandemonium broke out. I thought I was dreaming. My wife and children are fortunately safe..."

Survivors said the first to reach the semi-rural site were villagers.

An Uttar Pradesh constable rescued five people from S1 coach. "I felt bad...I had to walk over some bodies but I had no choice as I had to save those who were alive."

A row erupted when Minister of State for Railways Manoj Sinha visited a hospital in Kanpur and gave an injured woman Rs 5,000 in demonetised notes of Rs 500.

Vice President Hamid Ansari and Prime Minister Narendra Modi led the nation in mourning the dead. Modi announced ex gratia of Rs 2 lakh for the next of kin of those killed and Rs 50,000 for the seriously injured.

Railway Minister Suresh Prabhu and the governments of Uttar Pradesh and Madhya Pradesh also announced financial compensation.

The railways used heavy machinery to separate the tangled coaches. NDRF personnel used hammers to smash the windowpanes to enter the air-conditioned coaches as most doors were locked from inside.

A railway official in Indore said the train, which left on Saturday and would have reached Patna on Sunday evening, was carrying 1,266 passengers, including 308 in air-conditioned coaches.

Minister Prabhu ordered an inquiry and vowed to take "strictest possible action" against the guilty. Kanpur MP and senior BJP leader Murli Manohar Joshi suspe

সরকারি খরচে প্রশিক্ষণ পাবে পাঁচ লাখ তরুণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি -নির্মাণশিল্প -লাইট -ইঞ্জিনিয়ারিং -জাহাজ নির্মাণ শিল্প -চামড়া ও পাদুকাশিল্প -ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি: অ্যাগ্...

Popular posts