Posts

Showing posts from September 27, 2017

এবার বাংলাদেশিদের উপর হামলা চালাচ্ছে মিয়ানমারের বাহিনী

মিয়ানমারে চলমান সহিংসতায় হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ছয় লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে এসেছে। গত ২৫ আগস্ট রাতে রাখাইনে কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি ও তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। ওই হামলার জেরে রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সেনা অভিযান শুরু হয়। মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে। তবে এবার বাংলাদেশিদের উপর হামলা চালাচ্ছে মিয়ানমারের বাহিনী। সমকালের সংবাদের বরাতে এর বিস্তারিত তুলে ধরা হলো। সাগরের বুকে মাছ ধরছিল ওরা। হঠাৎ গুলি করতে করতে জেলে নৌকাটি থামিয়ে তাতে উঠে এলো মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)। প্রচন্ড মারধর করতে লাগল বাংলাদেশি জেলেদের। পিটিয়ে ভেঙে ফেলল মো. সাদ্দামের (২৬) দুই হাত ও দুই পা। রাইফেল দিয়ে আঘাত করতে করতে তার মাথা ফাটাল। প্রচুর রক্তপাতে জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন সাদ্দাম। তাকে সাগরের বুকে ফেলে দিল বিজিপি সদস্যরা। উত্তাল সাগরে সঙ্গে সঙ্গে ডুবে গেলেন সাদ্দাম। এবার জেলেদের দিকে ফিরে সরাসরি গুলি চালাতে লাগল ওরা। আতঙ্কিত জেলেরা সবাই ঝাঁপিয়ে পড়লেন সাগরের বুকে। ত...

প্রকৃতির সৌন্দর্যমন্ডিত সুন্দরবন

Image
বনভূমি ও বন্য প্রাণী দেখতে প্রতিনিয়ত সুন্দরবনে ভিড় করছে পর্যটকরা। প্রকৃতির অপরূপ অনাবিল সৌন্দর্যমন্ডিত রহস্যঘেরা এ বনভূমি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হলেও সেখানে নেই পর্যাপ্ত পর্যটন সুবিধা। সুন্দরবন বিশ্বখ্যাতি অর্জন করেছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও চিত্রল হরিণের জন্য। কিন্তু বর্তমানে সেখানে বানর, কুমির, হাঙ্গর, ডলফিন, অজগর ও বন মোরগ ছাড়াও রয়েছে ৩৩০ প্রজাতির গাছ, ২৭০ প্রজাতির পাখি, ১৪ প্রজাতির সরীসৃপ, ৪২ প্রজাতির বন্য প্রাণী ও ৩২ প্রজাতির চিংড়িসহ ২১০ প্রজাতির মাছ। এসব বন্য প্রাণী ও সুন্দরবনের নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা প্রতিনিয়ত সেখানে ছুটে যাচ্ছেন।  ঢাকা থেকে কিভাবে যাবেন : সুন্দরবন যেতে চাইলে ঢাকা থেকে আপনি সরাসরি চেয়ার কোচে মংলা বন্দরের পর্যটন ঘাটে পৌছাতে পারেন। সেখান থেকে চেয়ার কোচ, ট্রেনে খুলনা গিয়ে কোন আবাসিক হোটেলে রাত যাপন করে পরের দিন খুলনা জেলখানাঘাট থেকে লঞ্চে সুন্দরবনে যেতে পারেন।  যেভাবে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে হয় খুলনা কিংবা মংলা থেকে নৌ পথে সুন্দরবনের গহীন অরণ্যে প্রবেশ করা যায়। মংলার অদূরেই ঢাইনমারীতে রয়েছে বন বিভাগের কার্যালয়। সেখান থেকে সুন্দরবনে ...

Natural Bangladesh

Image

নারী মর্যাদা লাভ করে কিসের গুনে

কলেজের দেয়ালে লেখা ছিল,, হে যুবক বিয়েতে তোমার আগ্রহ নেই কেন।--- পরদিন জবাবে কোন এক যুবক লিখলো, সস্তায় যদি বাজারে দুধ পাওয়া যায়, তবে কষ্ট করে গাভী পালনের কি দরকার! নারী আজ তার দেহকে Expression করার জন্যে Contest এ নেমেছে। যুবকরা তাদের দেখে নিজের মনের কামবাসনা পূরণ করে নিচ্ছে। নারী চলতে চায় পশ্চিমাদের নোংরা কালচারে। নারীকে আজ বেপর্দায় যুবকেরা রাস্তাঘাটে, বাজারে, মার্কেটে, ইন্টারনেটে, ফেসবুকে বিনা-পয়সায় দেখতে পেলে, টাকা খরচ করে বিয়ে করার কি দরকার? নারী আজকে বেহায়াপনায় লিপ্ত হয়ে নিজের অমূল্য সম্পদ সস্তায় বিলিয়ে দেয়, যার কারনে যুবকদের মাঝে বিয়ের আগ্রহ কমবে এটাই স্বাভাবিক। হে নারী তুমি মহা মূল্যবান! তবে কেন বেপর্দায় ঘরের বাহির হবে? কেন নিজের সৌন্দর্য বিনা-পয়সায় পরপুরুষকে দেখাবে? কেন সস্তায় নিজেকে বিলিয়ে দিবে? তাই একজন নারীর চরিত্র এমন হওয়া উচিৎঃ "আমি মুসলিম জাতি," পর্দা আমার পরিচয় এবং আমার সৌন্দর্য", আমার সতীত্ব কেবল আমার স্বামীর জন্যে। কোন পরপুরুষের জন্যে নয়"। তবেই নারী হবে সম্মানের অধিকারী। নারী হবে তার স্বামীর কাছে শ্রেষ্ঠ সম্পদ।।

কেন প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন ও মর্যাদা বাড়ানো উচিত

কেন প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন ও মর্যাদা বাড়ানো উচিত? শিক্ষকতা একটি অত্যন্ত সম্মানজনক পেশা কিন্তু শুধু প্রাথমিক শিক্ষকদের বেলায় এই কথাটা প্রযোজ্য নয়।আমাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয়,কলেজ ইত্যাদির শিক্ষকদের যে বেতন ও মর্যাদা দেওয়া হয় তার শতভাগের কয়ভাগ প্রাথমিক শিক্ষকরা পায়।অথচ এদের বেতন মর্যাদা পাওয়া উচিত সবার উপরে।আপনি যদি কোন জাতিকে ধ্বংস করতে চান তাহলে তার শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করুন।আর শিক্ষা ব্যবস্থা খুব সহজে ধ্বংস করতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করলেই কেল্লা ফতে।বাকি শিক্ষা ব্যবস্থা এমনিতে ধ্বংস হয়ে যাবে।কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণের ধাপ মাত্র।এখানে শিক্ষার্থীকে হাত ধরে তার স্বপ্ন পূরণ করার জন্য কোন সাহায্য করা হয়না।শিক্ষার্থী নিজে নিজেই তার স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করে।অথচ প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষকরা শিশুদের হাত ধরে তাদের বুঝায় স্বপ্ন কি,স্বপ্ন কিভাবে দেখতে হয়,কিভাবে স্বপ্ন পূরণ করতে হয়।এখানেই শিশুরা শিখে নৈতিকতা,আদব,এবং ভালোবাসা।এখানে শিক্ষার্থী যে বিষয়গুলো শিক্ষা পায় সেগুলো তার মৃত্যুর আগে পর্যন্ত কাজে লাগে।এ স্তরে কাউকে শিখানো যে কত কঠিন তা শুধু ঐ শিক্ষকরাই জান...

এরকম অপদার্থ যেন পরীক্ষক না হয়

চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষায় ইংরেজিতে ফল বিপর্যয়ের কবলে পড়েছিল কুমিল্লা বোর্ড। কেননা এই বোর্ডে এক লাখ ৮২ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে এক লাখ ৮ হাজার ১শ ১১ জন। ফেল করেছে ৭৪ হাজার ৮ শ ৮৮ জন। শুধু গণিতে ফেল করেছে ৩৪ হাজার ৬৮৯ জন। আর ইংরেজিতে ফেল করেছে ২৫ হাজার ৬০৬ জন। হাজার হাজার শিক্ষার্থী এ বিষয়ে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ করলেও খাতা পুন:নিরীক্ষণের সুযোগ না থাকায় তাদের অনেককেই স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির ক্ষেত্রে দিতে হচ্ছে চরম মূল্য। তবে শিক্ষকদের এমন ‘খামখেয়ালীপনা’র শিকার হলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষার্থী পূজা। এইচএসসিতে ইংরেজিতে সে ফল বিপর্যয়ের শিকার হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সে ইংরেজি বিভাগে পড়ার সুযোগ করে নিয়েছে। এই সাফল্যের পর ফল বিপর্যয়ের কারণে তার জীবনে বয়ে যাওয়া ঝড় এবং দৃঢ়তার বিষয় উল্লেখ করে পূজার পিতা রতন কুমার মজুমদার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে কুমিল্লা বোর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানিয়েছেন এরকম ‘অপদার্থ, অযোগ্য, মস্তিষ্ক বিকৃত ইংরেজী শিক্ষককে যেন আর পরীক্ষক বা প্রধান পরীক্ষক করা না হয়।’ কেননা একজন শিক্...