Posts

Showing posts from September 29, 2017

পৃথীবির দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার

Image
পৃথীবির দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার । প্রতি বছর সারা দেশ থেকে লাখো পর্যটকের কক্সবাজারে সমাগত হয় কক্সবাজারে সমুদ্র দর্শনের জন্য। কক্সবাজারের সমুদ্র তীর প্রায় ১২০ কিমি দীর্ঘ। এছাড়াও এখানে রয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ মংস্য বন্দর। আমাদের দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের অবস্থানও কক্সবাজার জেলায়। এ ছাড়াও মহেশখালী ও সোনাদিয়া দ্বীপের অবস্থানও কক্সবাজার জেলায়। শুধু সমুদ্র আর দ্বীপ নয়, এ জেলায় আছে বেশ কয়েকটি সুন্দর সংরক্ষিত বন। এ সমস্ত কারণে কক্সাবাজারে সারা বছরই পর্যটকের ভীড় লেগে থাকে।  কিভাবে যাবেন: কক্সবাজারের সরাসরি গাড়ী চলে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে। যেমন, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, রংপুর ইত্যাদী। ঢাকা থেকে নন এসি গাড়ী আছে অনেকগুলো। শ্যামলী, টিআর, হানিফ, ইউনিক, এস আলম, সৈাদিয়া, ইত্যাদী। ভাড়া পড়বে ৮০০ টাকা। আর যদি এসি তে যান আছে গ্রীন লাইন, ‍সৈাদিয়া, দেশ ট্রাভেলস, টিআর, সোহাগ ইত্যাদী। ভাড়া পড়বে ১৬০০(ইকোনমি ক্লাস)-থেকে ২০০০ টাকা (বিজনেস ক্লাস)। সময় লাগতে পারে ১২-১৪ ঘন্টার মত। এছাড়া সেন্টমার্টিন পরিবহন বলে একটি সার্ভিস চালু আছে যেটা চলে টেকনাফ পর্যন্ত। নন এসি...

আশুরার আমলের ফজিলত

Image
আরবি মাসের প্রথম মাস মহরম । ইহা ফজিলতের মাস ।ইসলামী ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মাস। সুখের মাস ও শোকের মাস। আনন্দ ও বেদনার মাস। হাসি ও কান্নার মাস। স্বপ্ন ও স্বপ্নভঙের খেয়া। সুসংবাদ ও দুঃসংবাদের সারথি। হক ও বাতিলের পার্থক্যকারী। মানুষ ও অমানুষের পরিচয়দানকারী। রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে ইসলামে আশুরার দিনে রোজা রাখার বিধান ছিল। মুসা (আ.) ও তাঁর অনুসারীরা রোজা রাখতেন। জাহেলি যুগে মানুষ উপবাস থাকত। নবী (সা.) ও তাঁর সহচররা এ দিনে সিয়াম সাধনা করতেন। দ্বিতীয় হিজরিতে রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার পর আশুরার রোজা মানুষের ইচ্ছার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, ‘জাহেলি যুগে কোরাইশরা আশুরার রোজা রাখত। রাসুল (সা.)ও তা পালন করতেন। মদিনায় হিজরতের পরও পালন করেছেন এবং লোকদের পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু যখন রমজান মাসের রোজা ফরজ হয়, তখন তিনি ইরশাদ করেন, যার মন চায় রোজা রাখো, যার মন চায় পরিত্যাগ করো। ’ (বুখারি, হাদিস : ১৮৭৬)

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে ৪৬৯ নন-ক্যাডার নিয়োগ অক্টোবরে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণে ৮৯৮ জন নন-ক্যাডারের মধ্যে অক্টোবরের শুরুতেই নিয়োগ হচ্ছে ৪৬৯ জন। পর্যায়ক্রমে অন্যদেরও নিয়োগ দেওয়া হবে। এর আগে ৩৪তম বিসিএস থেকে দুই হাজার ৮৯৯ জনকে নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। এরই ধারাবাহিকতায় ৮৯৮ জনকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এফ এম মঞ্জুর কাদির বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণে ৮৯৮ জনকে নিয়োগ করা হবে শিগগিরই। তাদের মধ্যে ৫০০ জনের পুলিশ ভেরিফিকেশন চূড়ান্ত হয়ে এসেছে। এর মধ্যে ৪৬৯ জনকে ১০ অক্টোবরের মধ্যেই নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে।’ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষকের এসব পদ দ্রুত পূরণ করতে সহকারী শিক্ষককে চলতি দায়িত্ব দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে গত ২৩ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের ২১ হাজার পদ খালি আছে। এর মধ্যে ১৬ হাজার পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে...

রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সহিংসতার মুখে

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় তিনি বলেন, রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে রোহিঙ্গাদের উপর যে সহিংসতা হয়েছে তা মধ্যাঞ্চলেও বিস্তৃত হতে পারে এবং সেখানে আড়াই লাখ রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সহিংসতার মুখে প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গার পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা পরিষদের এই বৈঠক হচ্ছে। এটাই আট বছরে মিয়ানমার নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের প্রথম উন্মুক্ত বৈঠক। গুতেরেস বলেন, রাখাইনে সহিংসতা রোহিঙ্গাদের খুব দ্রুতই বিশ্বের বড় উদ্বাস্তু জনগোষ্ঠীতে পরিণত করেছে, যা মানবিকতা ও মানবাধিকারের জন্য ‘দুঃস্বপ্নের’ জন্ম দিয়েছে। “পালিয়ে আসা, যাদের বেশিরভাগ নারী, শিশু ও বয়স্ক, তাদের কাছ থেকে আমরা রক্ত হিম করা বক্তব্য পেয়েছি। “তাদের বর্ণনায় নির্বিচারে গুলিবর্ষণ, বেসামরিকদের বিরুদ্ধে ভূমি মাইন ব্যবহার ও যৌন সহিংসতাসহ অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও মানবাধিকারের গুরুতর লংঘনের কথা বলে।” রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার জবাবে গত ২৫ অগাস্ট রাখাইনে নতুন করে দমন অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। তাদের সহিংসতার মু...

আক্রমণের শিকার হলেই যুদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সামরিক শক্তিতে তৃতীয় ক্ষমতাধর দেশ চীন। তৃতীয় স্থানে থাকলেও চীন সামরিক খাতে যুক্তরাষ্ট্রের পরে সবচেয়ে বেশি খরচ করে। সামরিক খাতে দেশটির বার্ষিক ব্যয় ২১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। মানবশক্তির বিচারে চীন বিশ্বের সর্ববৃহৎ সামরিক শক্তির দেশ। এ দেশটির হাতেও পারমানবিক অস্ত্র রয়েছে। বেইজিংয়ের সামরিক লক্ষ্য- বিশ্বশক্তি হিসেবে চীনের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় চূড়ান্তভাবে আঞ্চলিক শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা। আর এই শ্রেষ্টত্ব অর্জনের লক্ষ্যে দেশটি সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়েই চলছে। দেশটির মোট সেনা সদস্য ৩৭ লাখ ১২ হাজার ৫০০ জন। ট্যাংকের সংখ্যা নয় হাজার ১৫০টি। রয়েছে চার হাজার ৭৪৪টি সাঁজোয়াযান। বিভিন্ন ধরনের কামানের সংখ্যা সাত হাজার ৯৫৬টি। এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার যান এক হাজার ৭৭০টি। চীনের বিমানবাহিনীতে মোট বিমানের সংখ্যা দুই হাজার ৯৫৫টি। নৌবাহিনীতে রয়েছে একটি বিমানবাহী রণতরী, ৫১টি ফ্রিগেট, ৩৫টি ডেস্ট্রয়ার ও ৬৮টি সাবমেরিনসহ ৭১৪টি তরী। তবে বেইজিংয়ের সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর যেসব নতুন অস্ত্র রয়েছে, তার অধিকাংশর নকশা যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের কাছ থেকে চীনা হ্যাকারদের চুরি করে নেয়া। ফলে...