Posts

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত সম্পর্কে জানি।

জাতীয় সঙ্গীত সম্পর্কে কতটুকু জানি? বলুন তো দেখি, বাংলাদেশে জাতীয় সঙ্গীত সর্বপ্রথম কোন শিল্পীর কণ্ঠে রেকর্ড করা হয়? ১। ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি সর্বপ্রথম রেকর্ড করা হয় শিল্পী গোপালচন্দ্র সেনের কণ্ঠে। ২। গানটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতবিতান’ গ্রন্থের স্বদেশ অংশে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৩। পরিচালক জহির রায়হান তাঁর নির্মিত ‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রে এই গানটি ব্যবহার করেন। ৪। ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল মুজিবনগরে গঠিত বাংলাদেশ অস্থায়ী সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ‘আমার সোনার বাংলা’ জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গাওয়া হয়। ৫। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সুরকার অজিত রায় গানটির বর্তমান যন্ত্রসুর করেন। ৬। ১৯৭২ সালের ১৩ই জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার গানটির প্রথম দশ লাইন জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গাওয়ার সিন্ধান্ত নেয়। তবে যন্ত্রসঙ্গীত এবং সামরিক বাহিনীতে শুধুমাত্র প্রথম চার লাইন ব্যবহার করা হয়। ৭। অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত ইংরেজিতে অনুদিত করেন।

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা কত ছিল?

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। তবে কোন কোন এলাকায় এই সেক্টরগুলো ছিল, তা কি জানেন? সেক্টর ১: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ফেনী নদী পর্যন্ত। সেক্টর ২: ঢাকা, ফরিদপুরের কিছু অংশ, নোয়াখালী ও কুমিল্লা নিয়ে গঠিত হয়েছিল। সেক্টর ৩: সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা, কিশোরগঞ্জ মহকুমা, আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে কুমিল্লা ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ। সেক্টর ৪: সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন বাদে পূর্ব ও উত্তর দিকে সিলেট-ডাউকি সড়ক পর্যন্ত। সেক্টর ৫: সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সিলেট জেলার সমগ্র উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চল। সেক্টর ৬: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা। সেক্টর ৭: দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, বগুড়া, রাজশাহী এবং পাবনা জেলা। সেক্টর ৮: সমগ্র কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা, ফরিদপুরের অধিকাংশ এলাকা এবং দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়কের উত্তরাংশ। সেক্টর ৯: খুলনার কিছু অংশ, বরিশাল ও পটুয়াখালী নিয়ে গঠিত হয়েছিল। সেক্টর ১০: এ সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন...

অধ্যায় - ৫ রাসায়নিক বন্ধন

অধ্যায় - ৫ রাসায়নিক বন্ধন ১. কোন গ্রুপের অধাতু আয়নিক বন্ধন গঠন করে? ক) ১৩ ও ১৬ খ) ১৫ ও ১৭ গ) ১৬ ও ১৭ ঘ) ১৭ ও ১৮ সঠিক উত্তর: (গ) ২. কোনটির পারমাণবিক সংখ্যা 36? ক) He খ) Ne গ) Ar ঘ) Kr সঠিক উত্তর: (ঘ) ৩. লবণের কেলাস গলাতে চিনির চেয়ে বেশি তাপ শক্তি প্রয়োজন, এর কারণ কী? ক) লবণ আয়নিক যৌগ খ) লবণ সমযোজী যৌগ গ) চিনি ধাতব যৌগ ঘ) লবণ নিস্ক্রিয় যৌগ সঠিক উত্তর: (ক) ৪. ক্রিপ্টনের পারমাণবিক সংখ্যা কত? ক) 36 খ) 54 গ) 18 ঘ) 86 সঠিক উত্তর: (ক) ৫. হাইড্রোক্সাইডের আধান কীরূপ? ক) -1 খ) +1 গ) -2 ঘ) +3 সঠিক উত্তর: (ক) ৬. কার্বন-ডাই-অক্সাইড যৌগে কয় জোড়া ইলেকট্রনের শেয়ারিং ঘটে? ক) 1 খ) 2 গ) 3 ঘ) 4 সঠিক উত্তর: (ঘ) ৭. ক্যালসিয়াম ক্লোরাইডের সংকেত কী? ক) KCI খ) KCI2 গ) CaCI ঘ) CaCI2 সঠিক উত্তর: (ঘ) ৮. O এর যোজনী ইলেকট্রন কত? ক) দুই খ) চার গ) ছয় ঘ) আট সঠিক উত্তর: (গ) ৯. কোন মৌল বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না? ক) Na খ) Pb গ) He ঘ) Cu সঠিক উত্তর: (গ) ১০. নিস্ক্রিয় গ্যাসের মধ্যে আকারে সবচেয়ে বড় কে? ক) Kr খ) Xe গ) Rn ...

হযরত ফাতিমা (রাঃ) এর ইন্তেকাল (সম্পূর্ণ ঘটনা)

বুকটা কেঁপে উঠলো ঘটনাটি পড়ে। হযরত ফাতিমা (রাঃ) এর ইন্তেকাল (সম্পূর্ণ ঘটনা) হযরত আলী রাঃ,ফজরের নামাজ আদায় করার জন্য মসজিদে গেছেন ৷ এদিকে হযরত ফাতিমা রাঃআঃ,গায়ে অত্যান্ত জ্বর অবস্থায়৷ ঘরের সমস্ত কাজ, শেষ করেছেন ৷ আলী রাঃ, মসজীদ থেকে এসে দেখে, ফাতিমা কাঁদতেছেন, আলী (রাঃ),প্রশ্ন করলেন,ও ফাতিমা তুমি কাঁদ কেন? ফাতিমা কোন উত্তর দিলেন না৷ ফাতিমা আরোজোরে জোরে কাঁদতে লাগলেন, আলী রাঃ কয়েকবার প্রশ্ন করার পরে, ফাতিমা রাঃ কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ও আলী,,,,,,,,আমি স্বপ্নের মধ্যে দেখতেছি,আমার আব্বাজান, হযরত মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ্ সাঃ আমার ঘরের মধ্যে ঢুকে কি যেন তালাশ করতেছেন ঘর থেকে বাহির হওয়ার সময়, আমি পিছন দিক থেকে,আমার আব্বাজান কে ডাক দিলাম৷ ও আব্বাজান আপনি কি তালাশ করতেছেন? আব্বাজান মুহাম্মাদুর রা:(সঃ) বলতেছেন, ও আমার ফাতিমা, আমিতো তোমাকে তালাশ করতেছি, তোমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য৷ আরো বললেনঃ ও আমার ফাতিমা,আজকে তো তুমি রোজা রাখবা ৷ সাহরী করবা আলীর দস্তরখানায়, আর ইফতার করবা আমি আব্বাজানের দস্তরখানায় ৷৷৷

বিশ্বকাপ ফুটবলের ফিচার

গ্রুপ এ : রাশিয়া, সৌদি আরব, মিসর, উরুগুয়ে। জুন ১৪- রাত ৯টা- মস্কো রাশিয়া বনাম সৌদি আরব জুন ১৫- রাত ১২টা- একাতেরিনবার্গ মিসর বনাম উরুগুয়ে জুন ১৯- সন্ধ্যা ৬টা- সেন্ট পিটার্সবার্গ রাশিয়া বনাম মিসর জুন ২০- রাত ৯টা- রোস্তভ-অন-দন উরুগুয়ে বনাম সৌদি আরব জুন ২৫- রাত ৮টা- সামারা উরুগুয়ে বনাম রাশিয়া জুন ২৫- রাত ৮টা- ভলগোগ্রাদ সৌদি আরব বনাম মিসর গ্রুপ বি : পর্তুগাল, স্পেন, মরক্কো, ইরান। জুন ১৫- সন্ধ্যা ৬টা- সোচি পর্তুগাল বনাম স্পেন জুন ১৫- রাত ৯টা- সেন্ট পিটার্সবার্গ মরক্কো বনাম ইরান জুন ২০- রাত ১২টা- মস্কো পর্তুগাল বনাম মরক্কো জুন ২০- সন্ধ্যা ৬টা- কাজান ইরান বনাম স্পেন জুন ২৫- সন্ধ্যা ৬টা- সারানস্ক ইরান বনাম পর্তুগাল জুন ২৫- সন্ধ্যা ৬টা- কালিনিনগ্রাদ স্পেন বনাম মরক্কো গ্রুপ সি : ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, পেরু, ডেনমার্ক। জুন ১৬- বিকেল ৪টা- কাজান ফ্রান্স বনাম অস্ট্রেলিয়া জুন ১৬- ১৭:০০- সারানস্ক পেরু বনাম ডেনমার্ক জুন ২১- সন্ধ্যা ৬টা- একাতেরিনবার্গ ফ্রান্স বনাম পেরু জুন ২১- রাত ৯টা- সামারা ডেনমার্ক বনাম অস্ট্রেলিয়া জুন ২৬- রাত ৮ট...

সরকারি খরচে প্রশিক্ষণ পাবে পাঁচ লাখ তরুণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি -নির্মাণশিল্প -লাইট -ইঞ্জিনিয়ারিং -জাহাজ নির্মাণ শিল্প -চামড়া ও পাদুকাশিল্প -ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি: অ্যাগ্রো ফুড প্রসেসিং, নার্সিং টেকনোলজি ‘স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রগ্রাম’ (সেইপ) প্রকল্পের আওতায় ২০২০ সালের মধ্যে সারা দেশে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বিভিন্ন বিষয়ে। প্রশিক্ষণ শেষে মিলবে ভাতা ও চাকরি। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ফরহাদ হোসেন । ৯টি সেক্টরে ১৩০-এর বেশি ট্রেডে সরকারি খরচে প্রশিক্ষণ পাবে ৫,০২,০০০ তরুণ। বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সহযোগী হিসেবে কাজ করছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ও সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন (এসডিসি)। প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। জুলাই ২০১৪ থেকে শুরু হয়েছে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম। চলবে ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত।  প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রগ্রামের (সেইপ) উপনির্বাহী প্রকল্প পরিচালক খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে বেকারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু সে হারে কর্মসংস্থান হচ্ছে না। আমরা স্বল্পশিক্ষিত ও শিক্ষিত তরুণ...

সিলেট জেলার জাফলং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপ লীলাভূমি

ক্বীন ব্রিজ, আলী আমজাদের ঘড়ি ও সুরমা নদীর পাড় : শহরের মাঝে সুরমা নদীর উপর প্রাচীন লোহার ব্রীজ। নিচে নদীর পাড়ে সময় কাটানে যায়। নৌকা নিয়ে ঘোরা ও মন্দ না । ব্রীজের কাছেই আছে ১৪০ বছর পুরনো আলী আমজাদের ঘড়ি। গত শতকের তিরিশের দশকের দিকে আসাম প্রদেশের গভর্ণর ছিলেন মাইকেল ক্বীন। তিনি তখন সিলেট সফরে আসেন। তার স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতেই এ ব্রীজটি নির্মাণ হয়। ইতিহাসবিদদের মতে, সে সময় আসামের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল ট্রেন। সঙ্গত কারণেই সুরমা নদীতে ব্রীজ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। রেলওয়ে বিভাগ ১৯৩৩ সালে সুরমা নদীর ওপর ব্রীজ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় । ১৯৩৬ সালে ব্রীজটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়। ব্রীজটির নামকরণ করা হয় গভর্ণর মাইকেল ক্বীনের নামে। ক্বীন ব্রীজ লোহা দিয়ে তৈরী। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ডিনামাইট দিয়ে ব্রীজের উত্তর পাশের একাংশ উড়িয়ে দেয়। স্বাধীনতার পর কাঠ ও বেইলী পার্টস দিয়ে বিধ্বস্ত অংশটি মেরামত করা হয়। পরবর্তীতে তা হালকা যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। সিলেট শহরের কেন্দ্রস্থলে ক্বীনব্রীজ এর অবস্থান ।  হযরত শাহজালাল (রঃ...