Posts

৬,৪৯৯ টাকায় ওয়ালটনের ৩ জিবি র‌্যামের ফোন

Image
কনকনে শীতে স্মার্টফোন প্রেমীদের জন্য জমজমাট সুযোগ দিচ্ছে দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা ওয়ালটন। প্রতিষ্ঠানটির ‘উইন্টার সেল’-এর আওতায় মাত্র ৬,৪৯৯ টাকায় ক্রেতারা পাচ্ছেন ৩ জিবি র‌্যামের স্মার্টফোন। যার মডেল ‘প্রিমো এইচএইট টার্বো’। ওয়ালটন মোবাইলের হেড অব সেলস আসিফুর রহমান খান জানান, ‘প্রিমো এইচএইট টার্বো’ ফোনটির রেগুলার মূল্য ৭,৫৯৯ টাকা। কিন্তু ‘উইন্টার সেল’-এর আওতায় ক্রেতাদের হ্যান্ডসেটটি ১১০০ টাকা কমে দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যের ৩ জিবি র‌্যামের ফোন এটি। দেশের সব ওয়ালটন প্লাজা, অনলাইনে ই-প্লাজা (eplaza.waltonbd.com) এবং ওয়ালটন মোবাইলের ব্র্যান্ড আউটলেট থেকে ফোনটি কেনার ক্ষেত্রে এ সুবিধা পাওয়া যাবে। ওয়ালটন সূত্রে জানা গেছে, এই ফোনটিতে ব্যবহৃত হয়েছে আইপিএস প্রযুক্তির ১৮:৯ রেশিওর ফুল-ভিউ ডিসপ্লে। ৫.৪৫ ইঞ্চির এইচডি প্লাস পর্দার রেজ্যুলেশন ১৪৪০ বাই ৭২০ পিক্সেল।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম বেতন গ্রেডের প্রজ্ঞাপন জারি

সহকারী শিক্ষকদের বেতন বাড়ল কিন্তু শর্তের বিষয়ে অস্পষ্ট । গতকাল ৯/২/২০২০ এ প্রধান হিসাবরক্ষন অফিস, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর একটি চিঠি ইস্যু করা হয়েছে।এতে সহকারী শিক্ষকদের বেতনগ্রেড ১৩ নম্বর গ্রেডে উন্নিত করা হয়েছে।কিন্তু শর্ত রাখা হয়েছে ২০১৯ এর নিয়োগবিধি ২(গ) এর যোগ্যতা।অর্থাৎ নূন্যতম ২য় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রি।আমার ধারণা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮০% শিক্ষক শিক্ষিকারই গ্রাজুয়েশন রয়েছে।কিন্তু বড় সমস্যা হলো অনুমোদন এর বিষয়।মহিলা শিক্ষকগণ এইচ এস সি পাশ যোগ্যতায় আবেদন করলেও পরবর্তীতে প্রায় প্রত্যেকেই স্নাতক বা স্নাতকোত্তর কম্লেট করেছেন।কিন্তু সেটা কলুর বলদের মত।কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত।আর এ অনুমোদন বিহীন সনদ এখন কচুপাতার মত মূল্য বহন করছে।অপরদিকে কেউ যদি উচ্চতর ডিগ্রি নিতে চায় তবে ডি পি এড কমপ্লেট করে নিতে হবে।অর্থাৎ পি টি আই থেকে ডি পি এড না করে পরবর্তী স্নাতক বা স্নাতকোত্তরের জন্য অনুমোদন পায় না।তাহলে এত বড় ডি পি এড এর মূল্যায়ন কোথায়।অবশেষে কি ডি পি এড এর সনদও কচুপাতার মত হয়ে গেল নাকি? দলবল নির্বিশেষে সবাই নিজেদের স্বার্থের কথা না ভেবে নিরপেক্ষ জবাব চাই আমার সহকারী শিক্ষক ভাই বোনদের কা...
*কত বছর বয়স থেকে বাচ্চাদের কে বাবা-মা থেকে আলাদা বিছানায় শোয়ানো উচিত? প্রশ্ন: মেয়েরা কত বছর বয়স পর্যন্ত বাবা মায়ের সাথে একই বিছানায় থাকতে পারবে? আমার মেয়ের বয়স আট বছর। সে অনেক ভয় পায়।এক রুম থেকে আরেক রুমেই যেতে চায় না। এ ক্ষেত্রে কী করণীয় দয়া করে জানাবেন। উত্তর: ● অনেক আলেমের মতে, সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত ছেলেমেয়েরা একই বিছানায় পিতা-মাতার সাথে বা নিজেরা ঘুমাতে পারে। ১০ বছর হয়ে গেলে তাদের বিছানা পৃথক করতে হবে। কেননা হাদীসে এসেছে, আমর ইবনু শুআইব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আমরের দাদা (আব্দুল্লাহ ইবনু আম্‌র) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, «مُرُوا أوْلاَدَكُمْ بِالصَّلاةِ وَهُمْ أبْنَاءُ سَبْعِ سِنينَ، وَاضْرِبُوهُمْ عَلَيْهَا، وَهُمْ أبْنَاءُ عَشْرٍ، وَفَرِّقُوا بَيْنَهُمْ في المضَاجِعِ». ‘‘তোমরা নিজেদের সন্তান-সন্ততিদেরকে নামাযের আদেশ দাও; যখন তারা সাত বছরের হবে। আর তারা যখন দশ বছরের সন্তান হবে, তখন তাদেরকে নামাযের জন্য প্রহার কর এবং তাদের বিছানা পৃথক করে দাও।’’ (আবূ দাউদ, হাসান সূত্রে) এই হাদিস থেকেই তারা বলেন, ১০ বছরে যেমন ...

মোবাইল ফোনের প্রাথমিক ইতিহাস

Image
টেলিফোন আবিষ্কারের পর থেকেই তারবিহীন টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার কথা গবেষক, বিজ্ঞানীরা ভাবতে শুরু করেন। তবে আমরা এত দীর্ঘ ইতিহাসের দিকে না যেয়ে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ থেকে শুরু করব। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় অর্থাৎ ১৯৪০ সালে মিলিটারিরা রেডিও টেলিফোন ব্যবহার করে। এই রেডিও টেলিফোন ব্যবস্থার আবিষ্কারক ছিলেন রেজিনালদ ফেসেন্দেন। তারপর ১৯৪৬ সালে প্রথম কল করা হয় একটি গাড়ি থেকে।

অর্থ সম্পদের জন্য মানুষ পাগল, কবরে যেতে হবে একথা চিন্তা করে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা বলেছেন, সম্পদের লোভে মানুষ অন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু এটা ভুলে যায় যে মরে গেলে কিছু সাথে নেওয়া যাবে না, কবরে একাই যেতে হবে। তিনি বলেন, দুনিয়াতে যা রেখে যাবে সেটা আর কোনোদিন কাজে লাগবে না। আর যদি বেশি রেখে যায় তবে ছেলে-মেয়ের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়। সম্পদ নিয়ে মারামারি কাটাকাটি শুরু হয়ে যাবে। এখন যেটা যথেষ্ট দেখা যায়। রোববার (১৮ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহা পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী ঘুষদাতার সমালোচনা করে বলেন, যে ঘুষ নেবে তার বিরুদ্ধে তো ব্যবস্থা নিতে হবেই, যে ঘুষ দেবে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছিঃ

Image
আমি (আমরা প্রাথমিকমাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছিঃ শিক্ষক) ১৫তম গ্রেডের (তৃতীয় শ্রেণির) একজন (আমরা) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। শিক্ষক হলেন মানুষ গড়ার কারিগর। সেই হিসেবে আমাকেও (প্রাথমিক শিক্ষক) মানুষ গড়ার কারিগর বলা হয়। বিশেষ করে আমি একটুখানি সম্মান আর মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার আশায় শিক্ষকতা পেশা বেছে নেওয়ার কারণ। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষকতা পেশা বেছে নেওয়া কী পাপ? বুঝে আসছে না। তবু লিখতে যাচ্ছি দু'একটা কথা! এর আগে আমি শ্রদ্ধা ভরে শুরু স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যিনি না থাকলে হয়তো বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম হতো কিনা জানি না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭৩ সালে দেশের ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে প্রথম জাতীয়করণ করে সকল প্রাথমিক (প্রায় দেড় লক্ষ) শিক্ষককে সরকারি করেছিলেন। তিনি না থাকলে হয়তো আমরা প্রাথমিক শিক্ষকরা আজো অবহেলিত থাকতাম। ২০১৪ সালে আপনি (মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) দেশের ২৬ হাজারের বেশি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়ে প...

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রাথমিক শিক্ষকদের সমাবেশে পুলিশের হামলার প্রতিবাদ

Image
গত ২৩ অক্টোবর রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রাথমিক শিক্ষকদের সমাবেশে পুলিশের হামলার প্রতিবাদে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ১৮৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সহ সারা দেশে  মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। শনিবার বেলা ১১টা থেকে ১১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত তারা এই কর্মসূচি পালন করেন। এর আগে গত ১৪ অক্টোবর তারা সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ২ ঘণ্টা, ১৫ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত ৩ ঘন্টা, ১৬ অক্টোবর অর্ধদিবস ও ১৭ অক্টোবর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেন। ২৩ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় । এই মহাসমাবেশে পুলিশ শিক্ষকদের উপর হামলা করেন বলে তারা দাবি করেন।